রেকর্ড জুটির পর ফখরের ডাবল, পাকিস্তানের রানের পাহাড়

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের চতুর্থ ওয়ানডেতে দুই ওপেনার ফখর জামান এবং ইমাম উল হকের রেকর্ড জুটিতে রানের পাহাড় গড়েছে পাকিস্তান। ২১০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন ফখর জামান। প্রথম তিন ম্যাচ হেরে কোনঠাসা জিম্বাবুয়ের সামনে দাঁড় করিয়েছে ৪০০ রানের টার্গেট।

বুলাওয়েতে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান প্রথম উইকেট হারায় ৪২ তম ওভারে। ইমাম উল হক সাজ ঘরে ফেরার আগে রেকর্ড বইয়ে নিজের নাম লিখে যান। ফখর জামানের সঙ্গে ওয়ানডে ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৩০৪ রানের রেকর্ড জুটি গড়েন ইমাম।

এক দিনের ক্রিকেটে সর্বোচ্চ পার্টনারশিপের রেকর্ডটি এতদিন ছিলো শ্রীলঙ্কার উপল থারাঙ্গা এবং সনাথ জয়সুরিয়ার দখলে। ২০০৬ সালে লিডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তাদের ওপেনিং জুটি থেকে এসেছিলো ২৮৬ রান। এক যুগ আগের সেই রেকর্ড ভেঙে দিলেন ফখর-ইমাম।

উইলিংটন মাসাকাদজার বলে সীমানায় হ্যামিলটন মাসাকদজার তালুবন্দ্বী হওয়ার আগে ১১৩ রানের দৃষ্টিনন্দন ইনিংস খেলেন ইমাম উল হক। জাতীয় দলের হয়ে ৮ ম্যাচের ক্যারিয়ারে এটি তার তৃতীয় সেঞ্চু্রি।

ইমাম ফিরে গেলেও ফখরের ঝড় থামেনি। দ্বিতীয় উইকেট জুটি আসিফ আলীকে (২২ বলে ৫০ রান) সঙ্গে নিয়ে ৩৯৯ রানের পাহাড় গড়েন। নিজে অপরাজিত থাকেন ২১০ রানে। ক্যারিয়ারের তো বটেই পাকিস্তানী ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের মালিকও এখন তিনিই। এরআগে ওয়ানডেতে পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ইনিংসটি ছিলো সাঈদ আনোয়ারের। ১৯৯৭ সালে চেন্নাইয়ে ভারতের বিপক্ষে ১৯৪ রান করেছিলেন তিনি।

ওয়ানডেতে দুই শতকী ক্লাবের ষষ্ঠ সদস্য ফখর জামান। তার আগে ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন- শচিন টেন্ডুলকার, রহিত শর্মা, ক্রিস গেইল, মার্টিন গাপটিল এবং বিরেন্দর শেবাগ। এরমধ্যে রহিত শর্মা একাই করেছেন তিনটি ডাবাল সেঞ্চুরি। বাকিরা একবার করে ছুঁয়েছেন এ মাইলফলক।

SHARE