১১ বছরে ৬ হাজার ৫’শ কোটি ডলার বিদেশে পাচার

১১ বছরে (২০০৪ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ) বাংলাদেশ থেকে ৬ হাজার ৫ শত কোটি ডলার বিদেশে পাচার হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন।মঙ্গলবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদকের) ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলেক্ষে জাতীয় শিল্পকলা একাডেমিতে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন বলেন, ‘২০০৪ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে ৬ হাজার ৫ শত কোটি ডলার বিদেশে পাচার হয়েছে। দেশের ভেতরে বিনিয়োগে বেশকিছু সমস্যা আছে, থাকতেই পারে। তাহলে কি দেশের বাইরে অর্থ পাঠিয়ে দেবেন?’

সাবেক গভর্নর আরও বলেন, ‘দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধের জন্য একটা পরিমণ্ডল প্রয়োজন রয়েছে। কারন বিচার-আচার করে দুর্নীতি নির্মূল করা সম্ভব না। আমরা যদি সমাজে একটা ঢেউ তুলতে পারি যে, দুর্নীতি ভালো নয়, এটা রুখতে হবে, তাহলে এটার বিচার করা কঠিন হলেও রোধ করা সম্ভব।’

মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সমালোচনা করে ড. ফরাসউদ্দিন বলেন, ‘যদি রেগুলেটরি ফ্রেমওয়ার্ক ছাড়া বাজার অর্থনীতিতে যান তাহলে প্রবৃদ্ধি হবে, বাণিজ্য ও শিল্পে প্রবৃদ্ধি হবে। তবে একটু চুরি-ডাকাতি বাড়বে, দুর্নীতি বাড়বে, বাংলাদেশ তাই হয়েছে। বাজার অর্থনীতিতে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দুর্নীতিবাজ-লুটেরা অনেক বেশি সক্রিয় হয়েছে। কারণ হলো ওই যে পরিমণ্ডল। যদি রেগুলেটরি ফ্রেমওয়ার্ক ছাড়া টেকনোলজিক্যাল অ্যাডভান্সমেন্টে চলে যান তাহলে মোবাইল ফান্ড ট্রান্সফার হবে, যাকে মোবাইল ব্যাংকিং বলা হয়। আমি তীব্র ভাষায় নিন্দা করি, ধিক্কার জানাই। আমি এর সমালোচনা করি।’

দুদকের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে কমিশনের দুই কমিশনার ড. নাসিরউদ্দিন আহমেদ ও এ এফ এম আমিনুল ইসলাম, সচিব শামসুল আরেফিন বক্তব্য দেন।

SHARE

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here