পোপ ‘রোহিঙ্গা’ উচ্চারণ কেন করলেন না, কেনই বা করলেন

‘রোহিঙ্গা’ না উচ্চারণ করেও মিয়ানমারকে বার্তা দিতে পেরেছি পোপ

‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি উচ্চারণ না করেই মিয়ানমারে সরকারকে বার্তা দিতে পেরেছেন বলে মনে করছেন পোপ ফ্রান্সিস। মিয়ানমারে রোহিঙ্গা শব্দটি ব্যবহার না করার পক্ষে নিজের যুক্তি তুলে ধরার সময় তিনি এ কথা বলেছেন। খবর রয়টার্সের।মিয়ানমার সেনাপ্রধানের সঙ্গে বৈঠকে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অধিকারের প্রতি সম্মান জানানোর ব্যাপারে পোপ দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করেছেন। পোপের প্লেনে থাকা সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।তিনি বলেন, আমি মনে করি বার্তাটা পৌঁছানোই আসল কথা। আমাদের ধাপে ধাপে এগোতে হবে।নেইপিদোতে দেয়া নিজের ভাষণ সম্পর্কে পোপ বলেন, আমি সেখানে ইচ্ছা করেই রোহিঙ্গা শব্দটি ব্যবহার করিনি। যদি আমি এ শব্দটা ব্যবহার করতাম তাহলে আলোচনার দরজা বন্ধ হয়ে যেত। কিন্তু আমার ওই ভাষণে আমি মিয়ানমারে সবার অধিকার নিশ্চিত করতে বলেছি।পোপ ফ্রান্সিস তার মিয়ানমার সফরে ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি ব্যবহার করেননি। পোপের ওই সফরে ‘রোহিঙ্গা’ শব্দ ব্যবহার না করতে তাকে আগেই অনুরোধ জানানো হয়েছিল। তবে বাংলাদেশ সফরে তিনি ঠিকই রোহিঙ্গা উচ্চারণ করেছেন। তিনি তখন বলেন, এখন ঈশ্বরের অস্তিত্বকেও বলা যেতে পারে রোহিঙ্গা।বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের সঙ্গে শুক্রবার দেখা করার সময় তিনি কেঁদেছেন বলেও জানান পোপ।উল্লেখ্য, তিন দিনের সফর শেষে শনিবার ঢাকা ত্যাগ করেন পোপ ফ্রান্সিস।

SHARE

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here