নিজাম হাজারীর সংসদ সদস্য পদ বৈধ

নিজাম হাজারী-rtvonline

ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীর পদে থাকা নিয়ে জারি করা রুল খারিজ করে দিয়েছেন বিচারপতি আবু জাফর সিদ্দিকীর একক হাইকোর্ট বেঞ্চ (তৃতীয় বেঞ্চ)। ফলে নিজাম হাজারীর সংসদ সদস্য পদে থাকা বৈধ বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।গেলো ২৭ ফেব্রুয়ারি ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীর পদে থাকা নিয়ে রুল নিষ্পত্তির রায়ের জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করেন হাইকোর্ট। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে এদিন ঠিক করেন আদালত।

গত ৬ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকীর একক বেঞ্চে মামলাটি কার্যতালিকায় ওঠে। পরবর্তী সময়ে কয়েক দিন শুনানি শেষে রায়ের জন্য ১ মার্চ দিন নির্ধারণ করা হয়।আদালতে নিজাম হাজারীর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ ও নুরুল ইসলাম সুজন। রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন কামরুল হক সিদ্দিকী ও সত্যরঞ্জন মন্ডল।২০১৪ সালের ১০ মে নিজাম হাজারীর কারাভোগ নিয়ে ’সাজা কম খেটেই বেরিয়ে যান সাংসদ’ শিরোনামে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন ছাপা হয়। এতে বলা হয়, ২০০০ সালের ১৬ আগস্ট অস্ত্র আইনের এক মামলায় নিজাম হাজারীর ১০ বছরের কারাদণ্ড হয়। কিন্তু ২ বছর ১০ মাস কম সাজা খেটে তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান। দণ্ডের মেয়াদের মধ্যেই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করেন ফেনী জেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন ভূঁইয়া।রিট আবেদনে বলা হয়, সংবিধানের ৬৬(২) (ঘ) অনুচ্ছেদ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হওয়ার এবং সংসদ সদস্য থাকার যোগ্য হবেন না, যদি তিনি নৈতিক স্খলনজনিত কোনো ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে কমপক্ষে দুই বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং তার মুক্তিলাভের পর পাঁচ বছর অতিবাহিত না হয়ে থাকে। সে হিসাবে নিজাম হাজারী ২০১৫ সালের আগে সংসদ সদস্য হতে পারেন না। অথচ তিনি ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে এমপি হয়েছেন। হাইকোর্টের নির্দেশে কারা কর্তৃপক্ষ আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। এতেও দেখা যায় তিনি আদালতের দেয়া দণ্ড সম্পূর্ণ ভোগ না করে কারসাজির মাধ্যমে জেল থেকে মুক্তি পান।এ রিট আবেদনে ২০১৪ সালের ৮ জুন হাইকোর্ট এক আদেশে ফেনী-২ আসন কেন শূন্য ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করে।

SHARE

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here