ত্রাণ সামগ্রী বিক্রি করছেন রোহিঙ্গারা

চাল ডাল তেল চিনি থেকে শুরু করে ত্রাণের পণ্য এখন পুরো বাজারে। কেজি প্রতি চাল বিশ টাকা। ডব্লিউএফপির তিন কেজি ডালের মূল্য ত্রিশ টাকা। ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে শীতে কম্বল। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন ক্যাম্পের নিরাপত্তা বলয় পেরিয়ে রোহিঙ্গারা এইসব পণ্য ক্যাম্পের বাইরে পাচার করছে। হাতবদল হয়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে চলে আসছে বাজারে। কখনো ভোক্তারা কিনলেও দোকানে মজুদ করেন অনেকে আর বিক্রির মূল্য চড়া।

বাজার ঘুরে দেখা যায় ক্যাম্প থেকে আসা ১০০ কেজি চালের বিক্রি মূল্য ১৮০০ টাকা। যা খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ২০ টাকা দরে। এদিকে স্থানীয় বাজারে চাহিদার তুলনায় যোগান বেশি হওয়ার কারণে গেল বছর মন প্রতি ধান ২৫শ থেকে ২৬শ টাকায় কেনা বেচা হয় এবছর তা নেমে এসেছে ১৫শ থেকে ১৬শ টাকায়। অন্যান্য খাদ্যশস্যে সঠিক মূল্য পাচ্ছেন না কৃষকরা। এছাড়া উৎপাদন কম হওয়ার কারণে আর্থিক আরো বেড়েছে।

স্থানীয় কৃষকরা বলেন,  ‘রোহিঙ্গারা শেষ করে ফেলেছে সব। মাল বেঁচতে পারছি না। হাজার হাজার রোহিঙ্গা সব বেঁচে দিচ্ছে। সস্তা দামে তারা বিক্রি করছে। আমরা তো এখন ধান বিক্রি করতে পারছি না।’

এদিকে ত্রাণের সামগ্রী বাজারে পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে জানিয়েছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন বিভিন্ন সংগঠন ও দপ্তরের দেয়া ত্রাণ এখন প্রয়োজনের তুলনায় বেশি পাচ্ছেন রোহিঙ্গারা। ফলে একই জিনিস বার বার পাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। তাই বিশেষ করে খাদ্যের পুরো বিষয়টি ডব্লিউএফপির তত্বাবধানে গেলে ত্রাণ ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠু হবে বলে জানিয়েছেন তারা।

SHARE

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here