ঢাকায় গেইল-ম্যাককালাম তাণ্ডব

ঢাকার ওপর দিয়ে গেইল-ম্যাককালাম তাণ্ডব

ঢাকার ওপর দিয়ে স্টিম রোলার চালালেন গেইল-ম্যাককালাম। প্রতিটি বলকে মাঠ ছাড়া করলেন তারা। দর্শকরা যে আনন্দ দেখতে চান তা অক্ষরে অক্ষরে পূরণ করলেন দুই ব্যাটসম্যান। একপ্রান্তে গেইল তাণ্ডব চালাতে থাকলেও অন্যপ্রান্তে অনেকটা শান্ত ছিলেন ম্যাককালাম। শুধু সঙ্গ দিয়ে গেলেন তিনি। সব মিলিয়ে মিরপুরে বিপিএলের ফাইনাল ম্যাচে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১ উইকেটে ২০৬ রানের বড় পুঁজি গড়লো মাশরাফি বিন মুর্তজার রংপুর।বিপিএলের ইতিহাসে নিজের সর্বোচ্চ ইনিংসের রেকর্ড ভেঙে ৬৯ বলে ১৪৬ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়লেন গেইল। স্ট্রাইক রেট ২১১.৫৯। তাতে ছিল ৫টি চার ও ১৮টি ছক্কার মার। শতক পূরণ করেন ৫৭ বলে। এবারের আসরে এটি তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। সব মিলিয়ে পঞ্চম। সব মিলিয়ে বিপিএলের ১২তম সেঞ্চুরি এটি আর এবারের পুরো আসরের তৃতীয় সেঞ্চুরি। ম্যাককালাম করেন ৪৩ বলে ৫১ রান। দ্বিতীয় উইকেটে এই যুগলের ব্যাট থেকে আসে ২০১ রানের জুটি।

ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে ফিরতি ক্যাচ নিয়ে আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান জনসন চার্লসকে (৩) সাজঘরে পাঠান ঢাকা দলপতি সাকিব আল হাসান।পঞ্চম আসরের লিগ পর্বে দু’বারের মুখোমুখি দেখায় রংপুর ও ঢাকা দু’দলই এক ম্যাচে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে। প্রথমবারের মতো বিপিএল ফাইনাল খেলছে রংপুর রাইডার্স। ২০১৫ সালে তারা প্লে-অফ খেলেছিল। সেবার অধিনায়ক ছিলেন সাকিব আল হাসান।রংপুর ও ঢাকা দু’দলই লিগ পর্বের নাম্বার ওয়ান দল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসকে হারিয়ে চূড়ান্ত মঞ্চের টিকিট কাটে। প্রথম কোয়ালিফায়ারে তামিমদের মাত্র ৯৬ রানে গুটিয়ে দিয়ে ৯৫ রানের দাপুটে জয়ে সরাসরি ফাইনাল নিশ্চিত করে ডায়নামাইটস।এলিমিনেটর ম্যাচে গেইলের অপরাজিত ঝড়ো সেঞ্চুরিতে খুলনা টাইটানসকে বিদায় করে রংপুর। দ্বিতীয় ফাইনালিস্ট হওয়ার মিশনে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে জ্বলে ওঠেন অপরাজিত সেঞ্চুরিয়ান চার্লস ও ম্যাককালাম (৪৬ বলে ৭৮)। ১৯৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৩৬ রানে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় ২০১৫ আসরের চ্যাম্পিয়নরা।বিপিএলের আগের চারটি শিরোপাই মাশরাফি ও সাকিবের দখলে। প্রথমবার তারা ফাইনালে একে অপরের মুখোমুখি। একজন বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের অধিনায়ক। আরেকজন টি-টোয়েন্টির পর টেস্টের দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছেন।

SHARE

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here