জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিষয়ে যে প্রস্তাবনা দিলেন তৌকীর আহমেদ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার গ্রহণ করছেন তৌকীর আহমেদ।

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার আমার কাছে একটি বিশেষ সম্মাননা, বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে এটিই সর্বোচ্চ পুরস্কার। উল্লেখ করার লোভই সামলাতে পারছি না। ইতিপূর্বে ২০০৪ এ জয়যাত্ৰা, ২০০৭ এ দারুচিনি দ্বীপও শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রসহ ৬ ও ৭টি শাখায় পুরস্কৃত হয়েছিল। যারা আমাকে ও আমাদের দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ। তবুও আনন্দের মধ্যেও কয়েকটি বিষয় বলতে চাই।

এ কথাগুলো বলেই জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার নিয়ে কয়েকটি প্রস্তাবনা বা পরামর্শ দিলেন জনপ্রিয় অভিনেতা ও নির্মাতা তৌকীর আহমেদ।

তৌকীরের উপস্থাপনাগুলো:

 চলচ্চিত্রের এই সর্বোচ্চ পুরস্কার এর সেশনজট দূর করা দরকার। ২০১৬ সালের পুরস্কার ২০১৮ তে না হয়ে ২০১৭ এর মধ্যেই হলেই ভালো হতো। না হলে আনন্দ যেমন ফিকে হয় একই সঙ্গে দর্শকের মনেও গুরুত্ব কমে।

 এ ধরনের একটি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানও গুরুত্বসহকারে সুন্দর ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় হওয়া উচিত, না হলে সৌন্দর্যহানি ঘটে।

 সর্বোপরি পুরস্কারের জুরিবোর্ডেরও আরও দায়িত্বসহকারে সব তদবির ব্যক্তি ও গোষ্ঠীস্বার্থের ওপরে উঠে বিচারকার্য সম্পন্ন করা জরুরি, নিরপেক্ষতার ঘাটতি অযোগ্য লোকের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়। তাতে সার্বিক অনুষ্ঠানের গুরুত্বহানি হয়।

 কোনো শাখায় মানসম্মত প্রতিযোগী না থাকলে সেই শাখায় ওই বছর পুরস্কার নাও দেয়া যেতে পারে।

মনে রাখতে হবে এই পুরস্কার চলচ্চিত্রের জন্য অপরিসীম গুরুত্ব বহন করে, পক্ষপাতিত্ব বা তদবিরের সংস্কৃতি ত্যাগ না করলে ক্ষতি সার্বিকভাবে এদেশের চলচ্চিত্রেরই।

ভালো চলচ্চিত্র টিকে থাকে তার গুনে, সময়কে অতিক্রম করে। মানুষের ভালোবাসাই একটি চলচ্চিত্রের জন্য সর্বোচ্চ পুরস্কার। অজ্ঞাতনামা আপনাদের সেই পুরস্কার পেয়েছে আগেই।

SHARE

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here